ব্যাকরণ হ্যান্ডবুক
কোর্সে শেখা সব নিয়ম এক পাতায় — পাঠের আগে বা পরে ঝালিয়ে নিতে। প্রতিটি নিয়মের পাশে মূল পাঠের লিংক আছে।
পারসন গ্রিড
একটি ছক পুরো কোর্সে বারবার কাজে লাগে। রং বলে কে (কমলা = অনুপস্থিত, নীল = সামনে, সবুজ = নিজে), বিন্দু বলে একজন না অনেকজন, আর হাত বলে পুরুষ না নারী। সর্বনাম, যুক্ত সর্বনাম আর ক্রিয়ার প্রতিটি কাল একই ঘরে বসে।
পৃথক সর্বনাম
আলাদা শব্দ হিসেবে বসে: هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ।
যুক্ত সর্বনাম — رَبّ + …
শব্দের শেষে লেগে 'তার / তোমার / আমার…' বোঝায়; ক্রিয়ার শেষে 'তাকে / তোমাকে…'।
অতীত কাল — خَلَقَ (সৃষ্টি করেছে)
চিহ্ন বসে শেষে: (কিছু নেই) ـُوا ـتَ ـتُمْ ـتُ ـنَا ـتْ।
বর্তমান কাল — يَعْبُدُ (ইবাদত করে)
চিহ্ন বসে শুরুতে: يَـ تَـ أَـ نَـ; অনেকজন হলে শেষে ـُونَ।
আদেশ — اُعْبُدْ (ইবাদত করো)
শুধু সামনের কাউকে বলা হয়; অনেকজনকে শেষে ـُوا।
নয়টি অব্যয়
বিশেষ্যের আগে বসে; সর্বনামও নিতে পারে: عَلَيْهِمْ, مَعَنَا, لَكُمْ।
- থেকেمِنْ
- মধ্যে, -তেفِي
- উপরعَلَى
- দিকেإِلَى
- দিয়ে, সাথে, কাছেبِـ
- জন্যلِـ
- সম্পর্কে, থেকে দূরেعَنْ
- সাথেمَعَ
- কাছেعِنْدَ
লেভেল ০: আরবি পড়া শেখা — নিয়মগুলো
ইউনিট ১ · অক্ষর চেনা
এক আকৃতি, পাঁচ অক্ষর: ب (নিচে ১), ت (উপরে ২), ث (উপরে ৩), ن (উপরে ১, গভীর বাটি), ي (নিচে ২)। বিন্দুই পরিচয়!
বা, তা, সা, নূন, ইয়া — বিন্দুর খেলাখসড়া · রিভিউ বাকিج ح خ: পেটে বিন্দু / বিন্দু নেই / মাথায় বিন্দু। د ذ ও ر ز: বিন্দু যোগ হলে উচ্চারণ বদলায়।
জীম, হা, খা · দাল, যাল · রা, যাখসড়া · রিভিউ বাকিس ش দাঁতওয়ালা, পাতলা। ص ض ط ظ ভারী অক্ষর — মুখ গোল করে মোটা আওয়াজ। বিন্দু যোগ হলে আরেকটি অক্ষর।
সীন, শীন · সোয়াদ, দোয়াদ · তোয়া, যোয়াখসড়া · রিভিউ বাকিع গলার মাঝখান, غ গলার উপর। ق ভারী, ك হালকা। ف-এ এক বিন্দু, ق-এ দুই।
আইন, গাইন · ফা, ক্বফ · কাফ, লাম, মীমখসড়া · রিভিউ বাকিه হালকা হ, و ও/ওয়, ء গলায় ঝাঁকুনি, ا স্বর লম্বা করে। শব্দের শেষে ة = 'ত/হ', ى = 'আ'। সব অক্ষর চেনা হলো!
হা, ওয়াও, হামযা, আলিফ — আর দুটি বিশেষ রূপখসড়া · রিভিউ বাকি
ইউনিট ২ · হরকত ও চিহ্ন
যবর ( َ ) = আ, যের ( ِ ) = ই, পেশ ( ُ ) = উ — তিনটিই ছোট টান (এক মাত্রা)।
যবর, যের, পেশ — তিন ছোট স্বরখসড়া · রিভিউ বাকিসুকুন ( ْ ) = স্বর নেই, শাদ্দা ( ّ ) = অক্ষর দুবার। এগুলো বাদ দিলে শব্দের অর্থ বদলে যেতে পারে।
সুকুন ও শাদ্দাখসড়া · রিভিউ বাকিـً আন, ـٍ ইন, ـٌ উন। তানবীন শব্দের শেষে আসে, আর সাধারণত শব্দটি অনির্দিষ্ট বোঝায় (তখন ال থাকে না)।
তানবীন — দুই যবর, দুই যের, দুই পেশখসড়া · রিভিউ বাকিযবর + ا = লম্বা আ, যের + ي = লম্বা ঈ, পেশ + و = লম্বা ঊ (দুই মাত্রা)। খাড়া যবর ( ٰ ) = লম্বা আ। মদ্দ ( ٓ ) = আরও লম্বা।
লম্বা স্বর ও মদ্দখসড়া · রিভিউ বাকি
ইউনিট ৩ · জোড়া লাগিয়ে পড়া
অক্ষর শুরু-মাঝে-শেষে রূপ বদলায়, কিন্তু বিন্দু একই থাকে। ا د ذ ر ز و — এই ছয়টি পরের অক্ষর ছোঁয় না।
জোড়া লাগানো অক্ষরখসড়া · রিভিউ বাকিٱ (হামযাতুল ওয়াসল): শুরুতে পড়ি, মাঝে চুপ — আগের শব্দের সাথে মিলিয়ে পড়ি। ٱللَّه-এর ل: আগে যের থাকলে হালকা (বিসমিল্লাহ), যবর বা পেশ থাকলে মোটা (আল্লাহু)।
হামযাতুল ওয়াসল — ফাতিহার শব্দ পড়াখসড়া · রিভিউ বাকিউসমানী লিপির চিহ্ন: ۟ = পড়া হয় না, ۥ / ۦ = লম্বা ঊ / ঈ, ٰ = লম্বা আ। এখন আপনি কুরআনের আয়াত নিজে পড়ার চেষ্টা করতে পারেন — সঠিক উচ্চারণের জন্য একজন কারীর তিলাওয়াত শুনে মিলিয়ে নিন।
কুরআনের লিপির ছোট চিহ্নখসড়া · রিভিউ বাকি
লেভেল ১: সালাত ও সূরা ফাতিহা — নিয়মগুলো
ইউনিট ১ · সালাতের শুরু
بِ মানে 'দিয়ে/সাথে'। শব্দের শুরুতে ال থাকলে শব্দটি নির্দিষ্ট — ইংরেজি 'the'-এর মতো।
বিসমিল্লাহ — আল্লাহর নামেখসড়া · রিভিউ বাকিأَكْبَر = সবচেয়ে বড়। আরবিতে 'হয়/আছেন' শব্দ ছাড়াই দুই শব্দে বাক্য হয়: اللَّهُ أَكْبَرُ।
আল্লাহু আকবার — আল্লাহ সবচেয়ে বড়খসড়া · রিভিউ বাকিأَعُوذُ = আমি আশ্রয় চাই (শুরুর أَ = আমি)। بِ = কাছে/দিয়ে, مِنْ = থেকে। রাজীম (ج) আর রাহীম (ح) আলাদা শব্দ।
আ'উযু বিল্লাহ — আল্লাহর আশ্রয়খসড়া · রিভিউ বাকিال-এর পরের অক্ষরে শাদ্দা ( ّ ) থাকলে ل চুপ (সূর্য অক্ষর: আন-নাস)। ل-এ সুকুন ( ْ ) থাকলে ل পড়া হয় (চাঁদ অক্ষর: আল-ফালাক)।
আল — সূর্য অক্ষর ও চাঁদ অক্ষরখসড়া · রিভিউ বাকি
ইউনিট ২ · সূরা আল-ফাতিহা
لِ মানে 'জন্য'। শব্দের শেষে ـِينَ বা ـُونَ দেখলে সাধারণত বহুবচন।
আলহামদু লিল্লাহ — সব প্রশংসা আল্লাহরখসড়া · রিভিউ বাকিদুটি বিশেষ্য পাশাপাশি: প্রথমটি 'কী', দ্বিতীয়টি 'কার/কিসের'। يَوْمِ ٱلدِّينِ = প্রতিদানের দিন। প্রথম শব্দে ال বসে না।
মালিকি ইয়াওমিদ্দীন — প্রতিদান দিবসের মালিকখসড়া · রিভিউ বাকিক্রিয়ার শুরুতে نَـ = আমরা, أَـ = আমি। وَ = এবং — পরের শব্দের সাথে লেগে থাকে।
ইয়্যাকা না'বুদু — শুধু তোমারই ইবাদত করিখসড়া · রিভিউ বাকিশব্দের শেষে ـنَا = আমাদের/আমাদেরকে। বিশেষণ বিশেষ্যের পরে বসে এবং ال-এ মিল রাখে: ٱلصِّرَٰطَ ٱلْمُسْتَقِيمَ, আবার صِرَٰطٌ مُّسْتَقِيمٌ।
ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকীম — সরল পথ দেখাওখসড়া · রিভিউ বাকিٱلَّذِينَ = যারা। ক্রিয়ার শেষে ـتَ = তুমি করেছ। শব্দের শেষে ـهِمْ = তাদের।
সিরাতাল্লাযীনা আন'আমতা — যাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছখসড়া · রিভিউ বাকিغَيْر = নয়/ছাড়া, لَا = না। ـِينَ / ـُونَ = বহুবচন। এখন সূরা ফাতিহার সব শব্দ আপনার চেনা!
গাইরিল মাগদূবি — পুরো ফাতিহা বুঝে পড়াখসড়া · রিভিউ বাকি
ইউনিট ৩ · পারসন গ্রিড ১: পৃথক সর্বনাম
পুরুষ: ডান হাত, নারী: বাম হাত। একজন: এক আঙুল, অনেকজন: চার আঙুল। অনুপস্থিত ব্যক্তি: পাশে ইশারা।
হুয়া, হুম, হিয়া — সে ও তারাখসড়া · রিভিউ বাকিসামনে থাকা মানুষ = নীল ঘর, সামনে ইশারা। أَنْتَ = তুমি (একজন), أَنْتُمْ = তোমরা (অনেকজন)।
আনতা, আনতুম — তুমি ও তোমরাখসড়া · রিভিউ বাকিনিজে = সবুজ ঘর, বুকে ইশারা। أَنَا = আমি, نَحْنُ = আমরা।
আনা, নাহনু — আমি ও আমরাখসড়া · রিভিউ বাকিতিন রং: অনুপস্থিত (কমলা, পাশে), সামনে (নীল, সামনে), নিজে (সবুজ, বুকে)। নারী = বাম হাত। এক আঙুল = একজন, চার আঙুল = অনেকজন।
পুরো গ্রিড — সূরা কাফিরূনখসড়া · রিভিউ বাকি
ইউনিট ৪ · পারসন গ্রিড ২: যুক্ত সর্বনাম
পৃথক সর্বনাম শব্দের শেষে লাগলে ছোট হয়: هُوَ → ـهُ (তার), هُمْ → ـهُمْ (তাদের)।
রব্বুহু, রব্বুহুম — তার রব, তাদের রবখসড়া · রিভিউ বাকিأَنْتَ → ـكَ (তোমার), أَنْتُمْ → ـكُمْ (তোমাদের)। ক্রিয়ার শেষে লাগলে অর্থ 'তোমাকে': وَدَّعَكَ = তোমাকে ছেড়ে গেছেন।
রব্বুকা, রব্বুকুম — তোমার রব, তোমাদের রবখসড়া · রিভিউ বাকিأَنَا → ـِي (আমার), نَحْنُ → ـنَا (আমাদের)। দোয়ায় رَبِّ = হে আমার রব।
রব্বী, রব্বানা — আমার রব, আমাদের রবখসড়া · রিভিউ বাকিসাত যুক্ত সর্বনাম: ـهُ তার, ـهُمْ তাদের, ـكَ তোমার, ـكُمْ তোমাদের, ـِي আমার, ـنَا আমাদের, ـهَا তার (স্ত্রী)। গ্রিড একই, শুধু রূপ ছোট!
রব্বুহা ও পুরো যুক্ত গ্রিডখসড়া · রিভিউ বাকি
ইউনিট ৫ · নয়টি ছোট শব্দ
مِنْ = থেকে (ال-এর আগে مِنَ), فِي = মধ্যে / -তে। অব্যয় সবসময় বিশেষ্যের আগে বসে।
মিন ও ফী — থেকে ও মধ্যেখসড়া · রিভিউ বাকিعَلَى = উপর, إِلَى = দিকে। সর্বনাম যুক্ত হলে ى বদলে يْ: عَلَيْهِ, إِلَيْكَ।
আলা ও ইলা — উপর ও দিকেখসড়া · রিভিউ বাকিبِ = দিয়ে/সাথে/কাছে, لِ = জন্য। সর্বনামের আগে لِ হয় لَ: لَهُ, لَكُمْ — শুধু 'আমার জন্য' لِي।
বি ও লি — দিয়ে ও জন্যখসড়া · রিভিউ বাকিمَعَ = সাথে, عَنْ = সম্পর্কে / থেকে দূরে। সর্বনাম যুক্ত হয়: مَعَنَا, مَعَكُمْ, عَنْهُ।
আন ও মা'আ — সম্পর্কে ও সাথেখসড়া · রিভিউ বাকিনয় অব্যয়: مِنْ থেকে, فِي মধ্যে, عَلَى উপর, إِلَى দিকে, بِ দিয়ে, لِ জন্য, عَنْ সম্পর্কে, مَعَ সাথে, عِنْدَ কাছে। সবাই সর্বনাম নেয়: عِنْدَهُ, مَعَنَا, عَلَيْكُمْ।
ইনদা ও নয় অব্যয়ের ঝালাইখসড়া · রিভিউ বাকি
ইউনিট ৬ · এটা, ওটা ও প্রথম বাক্য
কাছের জিনিস: هَٰذَا (পুরুষবাচক), هَٰذِهِ (স্ত্রীবাচক)। هَٰذَا + ال-যুক্ত শব্দ = 'এই …': هَٰذَا ٱلْبَيْتِ = এই ঘর।
হাযা, হাযিহী — এটা, এইখসড়া · রিভিউ বাকিদূরের বা মহান: ذَٰلِكَ (পুরুষবাচক), تِلْكَ (স্ত্রীবাচক)। কাছের: هَٰذَا, هَٰذِهِ।
যালিকা, তিলকা — ওটা, সেইখসড়া · রিভিউ বাকিবিশেষণ পরে বসে এবং মিল রাখে: ال-এ ال (ٱلْبَلَدِ ٱلْأَمِينِ), তানবীনে তানবীন (رَسُولٍ كَرِيمٍ)।
বিশেষ্য + বিশেষণ — রাসূলুন কারীমখসড়া · রিভিউ বাকিদুই অংশের বাক্য: প্রথমে 'কে/কী', তারপর 'তার সম্পর্কে খবর'। 'হয়/হন' লাগে না: ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ, مُحَمَّدٌ رَسُولُ ٱللَّهِ।
নামবাচক বাক্য — আল্লাহুস সামাদখসড়া · রিভিউ বাকি
ইউনিট ৭ · সালাতের দোয়াগুলো
সানার প্রায় প্রতিটি শব্দে ـكَ: سُبْحَانَكَ, بِحَمْدِكَ, اسْمُكَ, جَدُّكَ, غَيْرُكَ — পুরো দোয়াটি আল্লাহকে সরাসরি সম্বোধন।
সানা — সুবহানাকাল্লাহুম্মাখসড়া · রিভিউ বাকিরুকু: سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ (মহান), সিজদা: سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَىٰ (সর্বোচ্চ)। رَبِّيَ = আমার রব।
রুকু ও সিজদার তাসবীহখসড়া · রিভিউ বাকিسَمِعَ = শুনেছেন, حَمِدَ = প্রশংসা করেছে, ٱلسَّمِيعُ = সর্বশ্রোতা। তিন অক্ষরের মূল চিনলে নতুন শব্দও আন্দাজ করা যায়।
সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহখসড়া · রিভিউ বাকিالسَّلَامُ عَلَيْكَ = আপনার উপর শান্তি (عَلَى + كَ)। رَحْمَة = রহমত, ـهُ = তাঁর।
তাশাহহুদ ১ — আত্তাহিয়্যাতুখসড়া · রিভিউ বাকিلَا إِلَٰهَ إِلَّا اللَّهُ = নেই (لَا) কোনো ইলাহ (إِلَٰهَ) ছাড়া (إِلَّا) আল্লাহ। أَشْهَدُ = আমি সাক্ষ্য দিই। عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ = তাঁর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
তাশাহহুদ ২ — শাহাদাহখসড়া · রিভিউ বাকিদরূদ শেষ হয় حَمِيدٌ مَجِيدٌ দিয়ে — ইবরাহীম (আ.)-এর পরিবারকে ফেরেশতারা যে কথা বলেছিলেন (১১:৭৩)। সালাম: السَّلَامُ عَلَيْكُمْ = তোমাদের উপর শান্তি।
দরূদে ইবরাহীম ও সালামখসড়া · রিভিউ বাকি
ইউনিট ৮ · প্রথম ক্রিয়াপদ
অতীত কাল: মূল রূপ = সে করেছে (خَلَقَ)। শেষে ـُوا = তারা করেছে (ءَامَنُوا, عَمِلُوا)।
খালাকা — অতীত কাল: সে ও তারাখসড়া · রিভিউ বাকিঅতীত কালের শেষ চিহ্ন: (কিছু নেই) সে, ـُوا তারা, ـتَ তুমি, ـتُمْ তোমরা, ـتُ আমি, ـنَا আমরা, ـتْ সে (নারী)। একই গ্রিড!
খালাকনা — অতীত কালের পুরো গ্রিডখসড়া · রিভিউ বাকিবর্তমান কালে চিহ্ন শুরুতে: يَـ সে, تَـ তুমি / সে (নারী), أَـ আমি, نَـ আমরা। অনেকজন হলে শেষে ـُونَ: يَعْبُدُونَ, تَعْبُدُونَ।
না'বুদু — বর্তমান কালখসড়া · রিভিউ বাকিজানা: يَعْلَمُ সে জানে, تَعْلَمُونَ তোমরা জানো, نَعْلَمُ আমরা জানি। عَلَّمَ = শিখিয়েছেন — একই মূল ع-ل-م।
ইয়া'লামু — আল্লাহ জানেনখসড়া · রিভিউ বাকিআদেশ: একজনকে قُلْ, ٱقْرَأْ, ٱذْكُرْ; অনেকজনকে শেষে ـُوا: ٱعْبُدُوا, أَقِيمُوا। দোয়াতেও একই রূপ: ٱهْدِنَا।
ইকরা — আদেশসূচক ক্রিয়াখসড়া · রিভিউ বাকিএক মূল, তিন কাল: ذَكَرَ (অতীত), يَذْكُرُ (বর্তমান), ٱذْكُرْ (আদেশ)। মূল অক্ষর চিনুন, চিহ্ন দেখে কর্তা ও কাল বুঝুন — এটাই লেভেল ১-এর চাবি।
যিকর — এক মূল, তিন কালখসড়া · রিভিউ বাকি
পরিভাষা
আরবি ব্যাকরণের নামগুলো ধীরে ধীরে আসে — আগে ব্যবহার, পরে নাম।
- حُرُوف (হুরূফ) = অক্ষরসমূহ
- حَرَكَات (হারাকাত) = স্বরচিহ্ন
- سُكُون / شَدَّة = সুকুন (জযম) / শাদ্দা (তাশদীদ)
- تَنْوِين (তানবীন)
- مَدّ (মদ্দ) = টেনে পড়া
- هَمْزَةُ الْوَصْل (হামযাতুল ওয়াসল)
- رَسْم عُثْمَانِيّ (রাসমে উসমানী) = কুরআনের লিপি
- ال = আলিফ-লাম (নির্দিষ্টবাচক)
- تَكْبِير (তাকবীর) = আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা
- تَعَوُّذ (তা'আউউয) = আশ্রয় চাওয়া
- حُرُوف شَمْسِيَّة / قَمَرِيَّة = সূর্য / চাঁদ অক্ষর
- ـونَ / ـينَ = বহুবচনের চিহ্ন
- إِضَافَة (ইদাফাহ) = সম্বন্ধ
- عِبَادَة (ইবাদাহ) = উপাসনা
- صِفَة (সিফাহ) = বিশেষণ
- اِسْم مَوْصُول (ইসমে মাওসূল) = সম্বন্ধবাচক সর্বনাম
- نَفْي (নাফি) = না-বাচক
- ضَمِير (দমীর) = সর্বনাম
- مُخَاطَب (মুখাতাব) = যাকে বলা হচ্ছে
- مُتَكَلِّم (মুতাকাল্লিম) = যে বলছে
- ضَمَائِر مُنْفَصِلَة (দামাইর মুনফাসিলাহ) = পৃথক সর্বনাম
- ضَمِير مُتَّصِل (দমীর মুত্তাসিল) = যুক্ত সর্বনাম
- ضَمَائِر مُتَّصِلَة (দামাইর মুত্তাসিলাহ) = যুক্ত সর্বনাম
- حَرْف جَرّ (হারফে জার) = অব্যয়
- اِسْم إِشَارَة (ইসমে ইশারা) = নির্দেশক সর্বনাম
- مَوْصُوف + صِفَة = বিশেষ্য + বিশেষণ
- جُمْلَة اِسْمِيَّة (জুমলা ইসমিয়্যাহ) = নামবাচক বাক্য: مُبْتَدَأ + خَبَر
- ثَنَاء (সানা) = প্রশংসা
- تَسْبِيح (তাসবীহ) = পবিত্রতা ঘোষণা
- جَذْر (জাযর) = মূল অক্ষর, যেমন س-م-ع
- تَشَهُّد (তাশাহহুদ) = সাক্ষ্য দেওয়া
- شَهَادَة (শাহাদাহ) = সাক্ষ্য
- صَلَاة عَلَى النَّبِيِّ (দরূদ) = নবীর জন্য রহমতের দোয়া
- فِعْل مَاضٍ (ফে'লে মাদী) = অতীত কাল
- فِعْل مُضَارِع (ফে'লে মুদারি') = বর্তমান/ভবিষ্যৎ কাল
- فِعْل أَمْر (ফে'লে আমর) = আদেশসূচক ক্রিয়া
- ذِكْر (যিকর) = স্মরণ